পুলিশি গ্রেপ্তারের পর মাহদী হাসান জামিনে

পুলিশি গ্রেপ্তারের পর মাহদী হাসান জামিনে

পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মাহদী হাসান নামে এক যুব নেতাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় হবিগঞ্জে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবার সন্ধ্যার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনার পরপরই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার সামনে অবস্থান নিতে শুরু করেন। রাতভর চলে এই কর্মসূচি, যা পরদিন সকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাহদী হাসানকে গ্রেপ্তারের পর শনিবার সন্ধ্যা থেকেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শতাধিক নেতাকর্মী থানার সামনে জড়ো হন। তারা মাহদীর মুক্তির দাবিতে তাৎক্ষণিকভাবে আদালত বসিয়ে জামিন শুনানি আয়োজনের দাবি জানান। তবে রাতে আদালত না বসায় শেষ পর্যন্ত রোববার সকালে মাহদী হাসানকে আদালতে হাজির করা হয়।

এদিকে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, মাহদী হাসান কোনো অপরাধে জড়িত নন এবং তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের দাবি, শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানাতে গিয়ে পুলিশ অযথা বাধা সৃষ্টি করে এবং পরিস্থিতি ঘোলাটে করে তোলে। তারা এ ঘটনাকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ বলেও মন্তব্য করেন।

জামিন পেলেন বৈষম্যবিরোধীর সেই নেতা

ঘটনার সূত্রপাত হয় গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে। শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি এনামুল হাসানকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশের দাবি, এনামুল হাসান নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থেকে গোপনে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতেই তাকে আটক করা হয়।

এনামুল হাসানকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে পরদিন শুক্রবার দুপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একদল নেতা-কর্মী শায়েস্তাগঞ্জ থানা ঘেরাও করেন। তারা এনামুল হাসানের মুক্তির দাবি জানান এবং পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তোলেন। আন্দোলনের একপর্যায়ে মাহদী হাসানের নেতৃত্বে কয়েকজন থানার ভেতরে প্রবেশ করে ওসির কক্ষে অবস্থান নেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় থানার স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি হয়। কর্মকর্তাদের কাজে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বাধ্য হয়ে কঠোর অবস্থান নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার মাহদী হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকায় এলপি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি

অন্যদিকে আন্দোলনকারীরা বলছেন, থানায় অবস্থান নেওয়া ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং কোনো ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা হয়নি। তারা দাবি করেন, পুলিশের অতিরিক্ত কঠোরতার কারণেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। পুলিশি গ্রেপ্তারের পর মাহদী হাসান জামিনে

এ ঘটনায় স্থানীয় মহলে নানা আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করছেন, আবার অনেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের অবস্থানকে যৌক্তিক বলেও মনে করছেন। বিষয়টি এখন আদালতের বিচারাধীন থাকায় সবাই পরবর্তী আইনি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন। পুলিশি গ্রেপ্তারের পর মাহদী হাসান জামিনে

পুলিশি গ্রেপ্তারের পর মাহদী হাসান জামিনে পুলিশি গ্রেপ্তারের পর মাহদী হাসান জামিনে পুলিশি গ্রেপ্তারের পর মাহদী হাসান জামিনে

Leave a Comment