চাঁদা না পেয়ে নবীন ফ্যাসনের ফ্যাক্টরি বন্ধ

চাঁদা না পেয়ে নবীন ফ্যাসনের ফ্যাক্টরি বন্ধ

চাঁদা না পেয়ে এবার নবীন ফ্যাসনের ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিলো চাঁদাবাজরা।  বিএনপি-ছাত্রদলের চাঁদা চেয়ে বারবার হামলা, ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়  নবীন ফ্যাশন কর্তীপক্ষ । এবিষয়ে নবীন ফ্যাসন  তাদের ফেসবুক পেইজে বিস্তারিত একটি পোস্ট দিয়েছে। সেখানে তারা লিখেছে-

“যারা কেরানীগঞ্জ ফ্যাক্টরিতে নতুন নিয়োগের পরে ছাত্রদলের হামলা ও হত্যা হুমকির শিকার হয়েছেন। আজ রাতে ফ্যাক্টরিতে আগুন লাগায় দিয়ে সকলকে হত্যা করবে এই ভয়ে চাকরি থেকে চলে যাচ্ছেন আপনাদের সবাইকে নবীন পরিবার ভালোবাসেন এবং শীঘ্রই আপনাদের জন্য কাজের ব্যবস্থা করবেন ইনশাআল্লাহ।

আপনাদের সকলের কাছে শুধু এতটুকুই চাওয়া ৩ লক্ষ টাকা মাসিক চাদা চাওয়া ছাত্রদলের এই যুলুমবাজ গুলোর শুধুমাত্র ধ্বংসের জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া করবেন।

পারিবারিক বিরোধে প্রাণ গেল যুবকের

বিঃদ্রঃ গত প্রায় আড়াই বছর যাবত এই ফ্যাক্টরি চলমান রয়েছে প্রতিনিয়ত আওয়ামী লীগের নেতাদেরকে চাঁদা দেওয়া হত এবং ৫ই আগস্টের পর থেকে বিএনপি দলীয় লোকজনকে চাঁদা দিয়ে প্রতিষ্ঠান চলমান রাখা হয়েছিল কিন্তু নির্বাচন শেষে তারা ক্ষমতা পেয়ে এখন প্রতি মাসিক তিন লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে যা দিতে না পারায় এলাকার যে সকল কর্মচারীরা কাজ করতেন তাদেরকে হত্যার হুমকি দিয়ে ফ্যাক্টরি থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেয় এবং ফ্যাক্টরির সুপারভাইজার শাহআলমকে তুলে নিয়ে মারধর করে।

আমাদের প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাফেজ এনামুল হাসান নবীন বিদেশ যাওয়ার সংবাদ প্রচারের পর ২৫ শে মার্চ ২০২৬ ইংরেজি সকাল ৯টায় এলাকার ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ফ্যাক্টরিতে লুটপাট করতে চায় সে সময় চাইনিজ ইঞ্জিনিয়ার সামনে থাকায় এবং ভিডিও ধারণ করার কারণে তারা সেখান থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়।

গত ৫দিন পুলিশের যথেষ্ট সহযোগিতা পেয়েছি কিন্তু পুলিশ অসহায় হয়ে ফ্যাক্টরির ভিতর থাকা অবস্থায় চাদাবাজরা ফ্যাক্টরিতে বেশ কয়েকবার হামলা দেয় এখানে সম্পূর্ণ লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করার পরও এরকম চাঁদাবাজদের কারণে আমাদের প্রায় ৯০ জন কর্মচারীর এই প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য হলাম কারণ কোম্পানির অর্থের চেয়ে জীবন মহামূল্যবান আল্লাহ পাক এই জুলুম কারদের থেকে আমাদের হেফাজত করুন

গতকাল কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় গিয়েও সমাধান সম্ভব হয়নি।”

চাঁদা না পেয়ে নবীন ফ্যাসনের ফ্যাক্টরি বন্ধ বিশেষজ্ঞদের মতে – এই ঘটনাটা সত্যিই অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও দুঃখজনক। একটি বৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যদি চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি আর সহিংসতার কারণে বন্ধ হয়ে যেতে বাধ্য হয়, তাহলে তা শুধু ওই প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি নয়—এতে বহু শ্রমিকের জীবিকা হুমকির মুখে পড়ে।

আইনের শাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি, যেন কোনো ব্যবসায়ী বা কর্মচারী এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার না হন। আশা করি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে।

Leave a Comment